ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

যে কারণে রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায় হচ্ছে না আজ

ফাইল ছবি

চাঞ্চল্যকর ঘটনা রাজধানীর বনানীর ‘দ্যা রেইনট্রি’ হোটেলে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলা। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে তাদের ওই হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

সেই মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) রায় ঘোষণা হওয়া কথা ছিলো। কিন্তু তা আজ আর হচ্ছে না বলে জানা গেছে। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের আদালতে এ রায়ের তারিখ ধার্য ছিল আজ। রায় ঘোষণা না হওয়ার বিষয়ে ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ বলেন, এ মামলার রায় অনেক বড়। রায় এখনও প্রস্তুত হয়নি। রায়ের তারিখ পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

২০১৭ সালের ১৩ জুলাই ৫ আসামির বিরুদ্ধে এ মামলার চার্জ গঠন করেন আদালত। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে তা শেষ হয় ২২ আগস্ট। ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। একই সঙ্গে ওই দিন আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ ৫ আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

 

মামলার অপর আসামিরা হলেন, সাফাতের দুই বন্ধু নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়ি চালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী। তাদের মধ্যে শুধু রহমত আলী ছাড়া বাকি সবাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাতে ওই হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। এরপর বেরিয়ে আসে, সেই রাতে আরও দুই তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়।

 

ওই ঘটনায় গত ৬ মে আপন জুয়েলার্সের অন্যতম কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ ও ই-মেকার্স ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের পরিচালক নাঈম আশরাফ ওরফে হাসান আবদুল হালিমসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন এক ছাত্রী। আলোচিত এ মামলার ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শুরু থেকেই ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। মামলার অন্য ৩ আসামির একজন সাদমান সাকিফ রেগনাম গ্রুপের পরিচালক। চাঞ্চল্যকর মামলাটি তদন্ত করেছে পুলিশের উইমেন সাপোর্ট সেন্টার।