ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে হবে’

করোনা মহামারির এ বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জনসাধারণের মানসিক স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়াও পরিবারের সদস্য, সমাজের নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের মানসিক স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। এ পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

আজ রোববার (১০ অক্টোবর) ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২১’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব সভ্যতা বিকশিত হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশে দেশে বিস্তর বৈষম্য ও নানাবিধ অসমতা রয়ে গেছে। এ অসমতা অর্থনৈতিক, সামাজিক এমনকি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও। স্বাস্থ্যের দিকে যদি তাকাই, তাহলে মানসিক স্বাস্থ্য আরও বেশি উপেক্ষিত।

 

অথচ সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন মানবিক বিশ্ব গড়তে শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার মানসিক স্বাস্থ্যের এ প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে অনুধাবন করে। এ জন্য আমাদের সরকার ২০০১ সালে ঢাকার শেরে বাংলা নগরে প্রতিষ্ঠা করে ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট’।

 

সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বাস্তবায়নে এটি একটি মাইলফলক। জনগণের দোরগোড়ায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ খাতে আরও বেশি মনোযোগী হতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০৪১ সালের আগেই উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে- এ লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

 

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ। আমি ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২১’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।’প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে মনে করি।