ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ডিঙ্গামানিক ইউপি নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী মাছুম মীর

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো যথাসময়ে ও সুষ্ঠু-স্বাভাবিক নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সরকারের ভোট যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তারপর থেকেই শুনা যায় বিভিন্ন জেলায় চলছে নির্বাচনের প্রস্ততি। এর মধ্যে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে নির্বাচনীয় প্রচার প্রচারণা চলছে এলাকাগুলোতে। সব জেলার ন্যায় এ জেলাতেও তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। দেখাযায় তফসিল ঘোষণার আগেই নির্বাচনের প্রস্ততি নিয়েছেন কয়েক ডজন প্রার্থীরা।

বিভিন্ন দিবসের আগাম শুভেচ্ছা সহ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি হতে ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। হটাৎ দেখা যায় নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী তরুন নতুনমূখ মোঃ মাছুম মীরের প্রচারনা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় তিনি কাঠহুগলী গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মৃত সৈয়দ আবুল হাসেম মীরের সুযোগ্য সন্তান। ঐ এলাকার বেশ কিছু গণ্যমান্য ব্যাক্তি বর্গের সাথে কথা হলে তারা বলেন মাছুম মীর আমাদের সমাজের একজন অন্যতম সমাজ সেবক এবং দেশ ও জন দরদী ব্যাক্তি। পারিবারীক ঐতিহ্য অনুযায়ী ধর্মীয় পরিবেশে কঠোর সংযম এবং সহজ সরল জীবন যাপনের মধ্যদিয়ে বেড়ে উঠা। ছোটবেলা থেকেই তার কর্মকান্ডের কার তরুনদের নিবেদিত প্রান। আমাদের দেখা মতে তার ভাষার কথোপকথন চমকপ্রদ আকর্ষণ করে তুলে মানুষের মনে। যেমনি সাহসী ছেলে, তেমনি দেশ প্রেমিক। দেশকে এগিয়ে নিতে তিনি অগাধ পরিস্রম করে যাচ্ছেন। ব্যস্ততার মাঝে তিনি মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেন মানুষের প্রয়োজনে।

৬ নং ওয়ার্ডের অবহেলিত, নির্যাতিত সুবিধা বঞ্চিত জনগনের অধিকার ফিরে দিতে তিনি তার সাধ্যানুযায়ী বিভিন্ন ভাবে নগদ অর্থদান করেছেন। এলাকায় নির্মিত মাদ্রাসা,মসজীদ,এতিমখানা সহ সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি সব সময়ই সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।

এলাকায় ঘুরে জানা যায় শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের কাঠহুগলী গ্রামের মীর বংশে মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ছোট বেলা থেকে মাছুম মীরের সভাব চরিত্র ছিলেন নমনীয়,ভদ্র, মিশুক পকৃতির। বেড়ে উঠার মধ্যদিয়ে হারিয়েছেন পিতা মাতাকে। অল্পবয়সেই এতিম হয়ে যান তিনি। পিতা-মাতাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া ছেলেটি আজ ৬নং ওয়ার্ড বাসীর সেবক হিসেবে পরিনত হয়েছে। নিজের দুঃখ্য কষ্টকে ভূলে গিয়ে নিজেকে অন্যদের মধ্যে খোঁজে ভেড়ান। ছোট বেলা থেকেই অসহায় মানুষের কথা ভাবতেন বলেই আজ এ জন-দরদী, পরোপকারী, মানবতার ফেরিওয়ালা মাছুম মীরে ৬নং ওয়ার্ডবাসী নিজেদের ও দেশের কল্যাণের কথা ভেবেই তারা জনপ্রতিনিধিত্ব করতে চান। জনগনের এ প্রতিশ্রূতির মর্যাদা রক্ষার্থেই তিনি ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।

ইতি মধ্যেই মাছুম মীর জনগনের নিকট আস্থাভাজন ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি অর্জনসহ ভোটারদের মন কেড়ে নিয়েছে। লোকমূখে শুনা যায় প্রচারণার শুরু থেকেই অনেক বাধাবিপত্তির মধ্য দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিপক্ষের ইন্দনে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে তার ব্যানার ফেস্টুন। সংবাদকর্মীদেরকে মাছুম মীর জানান ৬ নং ওয়ার্ড বাসীকে আমি আমার পরিবার বলে মনে করি। বাবা-মাকে হারিয়েছি সেই দুঃখ্য কষ্ট মুছে ফেলেছি তাদের সুখে দুঃখে পাশে দাড়াতে পেড়ে। ৬নং ওয়ার্ডে যারা অসহায়,দিনমজুর, নিম্নআয়ের শ্রমিক যারা দুঃখ্য কষ্টে জর্জরিত তাদের দুঃখ্য মুছন করতে আমি সর্বদাই পরিস্রম করে যাবো। আমার এলাকায় স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের মধ্যে অনেকেই গরীবের সন্তান হওয়ায় লেখা-পড়ার খরচ চালাতে ঝুঁকির মূখে পড়তে হচ্ছে তাদের পরিবারকে এর কারণে অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রিকে ইতি টানতে হয়েছে ছাত্র জীবন থেকে। অপরদিকে অসহায় অসুস্থজনিত রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে উন্নত চিকিৎসা থেকে। উন্নত ফ্রী চিকিৎসার নেই ব্যবস্থা এলাকাতে। তাই সকলের দোয়া ভালোবাসা নিয়ে আমি এ দুঃখীদের সেবক হিসেবে নিজেকে উৎসাহী করতে পারি এবং আর্থিক সংকটতে থাকা পরিবারের মানুষের মূখে দুঃখ্য মছন করে যেন হাসি ফুটাতে পারি সেই সুযোগ করে দেয়ার আহ্বান জানাই ৬নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগনের নিকট আমি দোয়া প্রার্থী।

মেম্বার প্রার্থী মাছুম মীর বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের সফল জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে আজ বিশ্বের বুকে এদেশের বিজয়ি পতাকাকে উড়িয়ে রেখেছেন তার এ কর্মযজ্ঞে আমি বাংলাদেশের জনগণ গর্বিত। আজ এ দেশ সারাবিশ্বে প্রশংসিত। এমন যোগ্য নেত্রীর হাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আপনাদের পাশে রেখে কাজ করার সুযোগ চাই। আমাদের নড়িয়া ও সখিপুরের গণমানুষের অভিভাবক, জননন্দিত নেতা বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী একে এম এনামুল হক শামীম এমপি মহোদয় যেভাবে গরীব, অসহায়, মানুষের পাশে এসে অবহেলিত, এদেশ ও দশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ঠিক তেমনিভাবে এমপি সাহেবের আদর্শকে অনুসরণ করে তার কর্মী হিসেবে আর আপনাদের সেবক হিসেবে মুরুব্বিদের দিক নির্দেশনায় আমি আমার ওয়ার্ড বাসীর ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে সর্বদাই জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন ৬নং ওয়ার্ডবাসীকে বিজয়ি মালা এনে দিতে পারি।জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।