ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিশু আফনানের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন এমপি বাবেল

নূর মোহাম্মদ ইয়ন,গফরগাঁও(ময়মনসিংহ)

গফরগাঁওয়ের শিশু আফনানের হৃদপিন্ডে ছিদ্র সনাক্ত হয়।পিতা-মাতা পারছিলেন না চিকিৎসার খরচ বহন করতে। এই সময় অসুস্থ শিশুটিকে সুস্থ করে তুলতে শিশুটির চিকিৎসার খরচ বহনে দায়িত্ব নেন সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল।

জানা যায়, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার সালটিয়া ইউনিয়নের বাগুয়া গ্রামের উমর ফারুক ও ফাহিমা দম্পতির বিয়ের চার বছর পর জন্ম নেয় আফনান(১) আফনান ঘিরে ভবিষ্যৎ স্বপ্ন বুনে পরিবারটি কিন্তু সময়ের আবর্তে ফিকে হতে থাকে তাদের স্বপ্ন। মাত্র ৬ মাস বয়সেই শিশুটি জটিল রোগে আক্রান্ত হয়।শরীরের বৃদ্ধি কমে যায়, ঘন ঘন ঠান্ডা লাগে, শারিরীক দুর্বলতা,বুকের ছাতি নেমে যায়,কান্না করতে করতে শরীর নীলবর্ন ধারণ করে।ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা.নজরুল ইসলাম ইকো গ্রাফ করে শিশু আফনানের হৃদপিন্ডে ছিদ্র সনাক্ত করে।পরে ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে ডা. রুকুনুজ্জামান সেলিমের অধীনে চিকিৎসা চলতে থাকে।

পরিবারের সকলের মাঝে চিন্তার ভাজ পরে আফনানের পিতা উমর ফারুক ছোট একটি ঔষধ কোম্পানিতে চাকুরি করে।স্বল্প আয়ের পরিবারটি অসুস্থ শিশুটির চিকিৎসার খরচ যোগাতে হিমশিম খেতে থাকে। পরিবারের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে আফনানের পিতা উমর ফারুক জাতীয় সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের কাছে শিশু আফনানকে বাঁচিয়ে রাখতে আকুতি জানান। কোমলপ্রাণ সাংসদ বাবেল গোলন্দাজ শিশু আফনানের চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নেন।নগদ ১ লক্ষ টাকা তুলে দেন শিশু আফনানের পিতা উমরের হাতে।

আগামী ১০ অক্টোবর থেকে মীরপুর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে শুরু হবে চিকিৎসা।শিশুটির পরিবার বাবেল গোলন্দাজ এমপির মানবিকতায় মুগ্ধ হয়।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শিশু আফনানের পিতা উমর ফারুক বলেন, কোমলপ্রাণ সাংসদ বাবেল গোলন্দাজ আমার শিশুটির জীবন রক্ষায় এগিয়ে এসেছে। এই ঋণ পরিশোধ হবার নয়, দোয়া করি আল্লাহ সাংসদের মঙ্গল করুন।

উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দিন বাদল বলেন, মানবিক সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল এমপিম হোদয়ের কাছে উমরের শিশু পুত্রের চিকিৎসার কথা জানালে তিনি শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।উমরের হাতে নগদ ১ লক্ষ টাকা তুলে দেন।
সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল বলেন,মানুষ মানুষের জন্য আর জীবন জীবনে রজন্য।শিশুটি যাতে পৃথিবীতে হাসি মুখে বাঁচতে পারে তাই তার রোগের চিকিৎসার জন্য সহয়তা করেছি।